শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৬:২৭ পিএম, ২০২৬-০৬-০৯
ফেনীর প্রবীণ সাংবাদিক, এনটিভি ও দৈনিক জনকণ্ঠের সাবেক জেলা প্রতিনিধি ওছমান হারুন মাহমুদ দুলাল (৬৭) আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মঙ্গলবার (৯ জুন) ভোরে ফেনী ডায়াবেটিক হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে তিনি দুরারোগ্য ব্যাধি ক্যানসার আক্রান্ত ছিলেন। মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ফেনী ডায়াবেটিক হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বাদ জোহর ফেনীর ঐতিহাসিক মিজান ময়দানে তার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক কন্যা সন্তান রেখে গেছেন।
স্মৃতি চারণ: ওছমান হারুন মাহমুদ দুলাল দীর্ঘ তিন দশকের বেশি সময় ধরে ফেনীর জনপদে সাংবাদিকতা করেছেন। তার মৃত্যুতে জেলার সাংবাদিক, রাজনৈতিক অঙ্গনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ শোক জানিয়েছেন।
এক নীরব ব্যক্তিত্বের প্রস্থান: সব মানুষ পরিচয়ের মাধ্যমে বড় হন না, কেউ কেউ ব্যক্তিত্ব, সততা ও কর্মের মধ্য দিয়েই মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী আসন গড়ে নেন। মরহুম জনাব ওসমান হারুন মাহমুদ ছিলেন তেমনই একজন মানুষ।
সাংবাদিক বরুন দে বাপ্পী বলেন, তাঁর নাম শ্রদ্ধার সঙ্গে শুনে আসছি প্রায় ২৫-২৬ বছর ধরে। ২৪/এ নিউ ইস্কাটন রোড়ে দৈনিক জনকণ্ঠ অফিসে গেলে সম্পাদক মরহুম আতিক উল্লাহ খান মাসুদ-এর পিএস, আমার ছোটভগ্নিপতি আবদুল কুদ্দুস রতন ভাই প্রায়ই তাঁর কথা বলতেন। সেই থেকেই নামটির প্রতি এক ধরনের সম্মান জন্মেছিল।
তাঁকে দেখেছি তাঁর স্বভাবসুলভ সরলতায়। সেলিনা পারভীন সড়কের বিপরীত পাশে গ্রামীণ আবহে বাঁশের বেড়া ও টিনে তৈরি রুচিশীল একটি ছোট্ট বাসা ছিল তাঁর। মূল সড়ক থেকে ঘরটি দেখা যেত। কখনো ট্রাংক রোড ধরে ধীর পায়ে হেঁটে যাচ্ছেন, কখনো আবার নিচের দিকে তাকিয়ে নিভৃতচারীর মতো বাসায় ফিরছেন। চোখে চশমা, পরিমিত কথাবার্তা, বিনয়ী আচরণ- সব মিলিয়ে তিনি ছিলেন এক অনন্য ব্যক্তিত্ব।
একসময় আমাদের পরিচয় হয়েছিল। তাঁকে বলেছিলাম, সাংবাদিক ও মানুষ- দুই পরিচয়েই আমি তাঁকে শ্রদ্ধা করি। তিনি শুধু মৃদু হেসেছিলেন। সেই হাসির মধ্যেই ছিল বিনয়, সৌজন্য ও আত্মমর্যাদার এক অপূর্ব সমন্বয়।
আজ তিনি আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন। ফেনীতে উচ্চকণ্ঠে অনেকেই সাংবাদিক পরিচয় দেন, কিন্তু সাংবাদিকতার মর্যাদা, ব্যক্তিত্বের ঔজ্জ্বল্য এবং মানুষের শ্রদ্ধা অর্জনের সৌভাগ্য সবার হয় না। ওসমান হারুন মাহমুদের মতো মানুষরা পদ-পদবি দিয়ে নয়, চরিত্র ও কর্মের মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকেন।
মানুষের জীবনের প্রকৃত সাফল্য কতটা আলোড়ন তুলেছেন তাতে নয়, বরং কতটা শ্রদ্ধা রেখে যেতে পেরেছেন তাতে। সেই বিচারে ওসমান হারুন সাহেব নিঃসন্দেহে সফল। তিনি হয়তো আর আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু তাঁর সৌম্য উপস্থিতি, সাদামাটা জীবনবোধ এবং পেশাগত মর্যাদা দীর্ঘদিন স্মরণ করবে ফেনী।
আবদুল্লাহ মজুমদার : : চট্টগ্রাম নগরীর রাস্তায় প্রতিদিনের যানজট, বর্ষায় জলাবদ্ধতা, বর্জ্যের স্তূপ আর নাগরিক দুর্ভোগের ম...বিস্তারিত
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি : : রাঙামাটিতে কোতয়ালী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদক কারবারি, মাদকসেবী, অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অভিযà...বিস্তারিত
মো.আরফান উদ্দীন : পৃথিবীর আর কোন দেশে বাংলাদেশের মতো প্রতিনিয়ত সড়ক দুর্ঘটনায় এত মানুষের প্রাণহানি ঘটে কি না, তা আমার...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : একটি মৃত্যুদণ্ডের খবর কখনো কখনো একটি পরিবারের শোকের সীমানা ছাড়িয়ে রাষ্ট্রের দায়িত্ববোধকেই কাঠগà§...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল, জেলা ৩১৫-বি৪, বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগং কর্ণফুলী এল...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : কবিতা, সাহিত্য এবং আন্তর্জাতিক সাহিত্য বিনিময়ে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মানজনক সার্...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited